ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই রাশিয়া এবং ইউক্রেন একে অপরের অবকাঠামো লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। বুধবার (১৯ মার্চ) এই খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এটি ঘটে, যখন মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে ফোনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়। এই ফোনালাপে পুতিন ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না করার ঘোষণা দেন। তবে ইউক্রেনের ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পুতিন প্রত্যাখ্যান করেন এবং আগামী দিনে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া বেসামরিক অবকাঠামো, বিশেষত হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও, তিনি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে পুতিন সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কেবল তখনই কার্যকর হবে যদি ইউক্রেনের মিত্ররা সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
এদিকে, দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় তাদের একটি তেল ডিপোতে আগুন লেগেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা গত রাতে ইউক্রেনের ৫৭টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে ৩৫টি কুরস্ক সীমান্ত অঞ্চলের ওপর দিয়ে গেছে। রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলের গভর্নর জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী বেলগোরোডে স্থল আক্রমণের চেষ্টা করেছিল, তবে তাদের পিছু হটানো হয়েছে।